সাবিলা নূরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে আলোচনা, আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই

অভিনেত্রী সাবিলা নূরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবস্থা নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে সাবিলা নূর বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে প্রকাশিত খবরগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ নিয়ে চলমান আলোচনা ও গুঞ্জন শোবিজ অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে, সাবিলা ও নেহাল কিছুদিন ধরে আলাদা থাকছেন। তবে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের বর্তমান অবস্থা কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়। এসব প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সরাসরি বক্তব্য না থাকায় পরিস্থিতি স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্যের অভাবে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে দাম্পত্য জীবনে জটিলতার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ‘রকস্টার’ সিনেমার এক সহকর্মীর সঙ্গে সাবিলার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে গুঞ্জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও জানা যায়নি। ফলে গুঞ্জনটি নিছক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সাবিলা নূরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাবিলা বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য না আসায় পরিস্থিতি অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। এ অবস্থায় প্রকাশিত তথ্যগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
২০১৯ সালে নেহাল সুনন্দ তাহেরকে বিয়ে করেন সাবিলা নূর। বন্ধুত্বের মধ্য দিয়ে তাঁদের সম্পর্কের শুরু, পরে তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সেই থেকে তাঁদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে মাঝেমধ্যে আলোচনা হলেও এবারের গুঞ্জন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ না আসায় বিষয়টি স্পষ্ট নয়।
সার্বিকভাবে, সাবিলা নূরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরগুলো মূলত সূত্রভিত্তিক ও অনিশ্চিত। আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের অভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পাঠকদের উচিত এসব তথ্যকে যাচাই ছাড়া চূড়ান্তভাবে গ্রহণ না করা। ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য এলে পরিস্থিতি পরিষ্কার হতে পারে।