এসবিএসি ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন জিয়াউর রহমান জিয়া

পেশাদার হিসাববিদ জিয়াউর রহমান জিয়া এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির পর্ষদ অডিট কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ইতিমধ্যে ব্যাংকটির একজন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই নিয়োগ ব্যাংকের করপোরেট সুশাসন ও নিরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান জিয়ার অর্থায়ন, নিরীক্ষা ও করপোরেট সুশাসন খাতে ২১ বছরের বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে ব্যাংকের অডিট কমিটির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত করে তুলেছে।
জিয়াউর রহমান জিয়া দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) একজন উচ্চপর্যায়ের সদস্য এবং নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ সদস্য। তিনি অ্যাসোসিয়েশন অব সার্টিফায়েড ফ্রড এক্সামিনার্সের সহযোগী সদস্য হিসেবেও যুক্ত আছেন। এই সদস্যপদগুলি তার পেশাদার দক্ষতা ও সততার পরিচয় বহন করে। আইসিএবি-র পরিচালনা পর্ষদ সদস্য হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানটির নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখছেন।
হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই পেশাজীবী দেশের প্রখ্যাত হিসাব নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান এ কাসেম অ্যান্ড কোং-এর অংশীদার হিসেবে কাজ করেছেন। ২০০৫ সালে পেশাজীবন শুরু করার পর তিনি বিভিন্ন খাতে নিরীক্ষা, সেবা প্রদান, পরামর্শ ও নিয়মকানুন পরিপালন নিয়ে কাজ করেন। এছাড়া তিনি ব্যাংকের নিরীক্ষা সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি আর্থিক তদন্ত ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন।
প্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তা জিয়াউর রহমান জিয়া আরএস টেকনোলজিস লিমিটেড ও প্রগতি সিস্টেমস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করছেন। আঞ্চলিক পর্যায়ে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের হিসাব কমিটিতে তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা তার পেশাদার পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।
এর আগে ২০২০ সালে তিনি আইসিএবির ঢাকা আঞ্চলিক কমিটির প্রধান ছিলেন। পাশাপাশি দৃষ্টি উন্নয়ন সংস্থা নামক সামাজিক সংস্থার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন মানবসেবামূলক কাজে যুক্ত আছেন। তার এই সামাজিক কাজ পেশাদার জীবনের বাইরে তার মানবিক দিককে তুলে ধরে। তিনি সমাজের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
সব মিলিয়ে জিয়াউর রহমান জিয়ার নিয়োগ এসবিএসবি ব্যাংকের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তার বহুমুখী অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে ব্যাংকের সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।