বাংলাদেশ • শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬সত্যের পথে, প্রতিদিন
এ আই নিউজ

দেশের খবর, বিশ্বের খবর
আপনার প্রতিদিনের সংবাদ

স্বাস্থ্য

হামের উপসর্গে আরও আটজনের মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৫৫

হামের উপসর্গে আরও আটজনের মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১৫৫
এ আই নিউজ

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৫ জনে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে পাঁচজন ঢাকায়, একজন সিলেটে, একজন চট্টগ্রামে ও একজন ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ৩ হাজার ৮৪৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৯৫৫ জনের।

একই সময়ে পরীক্ষায় আরও ১৩১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ২২ হাজার ৩২৮ জনের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৫ জনে।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ৪৭৬ জনের। এ ছাড়া সিলেটে ১৮৪, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে ৯৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৮১, বরিশালে ৬২, খুলনায় ৪৬ ও রংপুরে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৭ হাজার ৮২ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯১ হাজার ৭ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫ হাজার ৭৭৪ জন চিকিৎসাধীন।

জলাতঙ্ক বা র‍্যাবিস মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী রোগ। এটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য হলেও একবার লক্ষণ প্রকাশ পেলে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো ভ্যাকসিন গ্রহণ এবং র‍্যাবিসে আক্রান্ত প্রাণী কামড়ানোর পর সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিবছর নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আমাদের বয়স পঞ্চাশের কোঠায় পৌঁছালে ত্বকে বলিরেখা পড়া বা চুলে পাক ধরার মতো বাহ্যিক পরিবর্তন স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। এটি আমরা বাইরে থেকে বুঝতে পারি। কিন্তু এই সময় আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরেও শুরু হয় এক নীরব পরিবর্তন। এত দিন ধারণা করা হতো, জন্মের পর মস্তিষ্কের প্রতিরক্ষামূলক মূল ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা সীমিত। চোখ দিয়ে আমরা পৃথিবীর সৌন্দর্য, প্রিয়জনের মুখ এবং জীবনের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত দেখি। অথচ দৈনন্দিন ব্যস্ততায় চোখের যত্ন অনেক সময় অবহেলিত হয়। গতকাল ছিল বিশ্ব দৃষ্টি দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আপনার চোখকে ভালোবাসুন’। চোখের জন্য যা করতে পারেন, সে বিষয়ে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

প্রচ্ছদে ফিরুন ←