জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮ বিএড কলেজে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা নেই

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি মোট ৯৮টি বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন) কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব কলেজের হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে ভর্তি সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্ক করেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে অনুমোদিত বিএড কলেজগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় থাকা ৯৮টি কলেজের মধ্যে ৮৩টি বেসরকারি এবং ১৫টি সরকারি। তালিকাটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকাশিত তালিকায় থাকা কলেজগুলোতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ভর্তি নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কলেজগুলোর অবস্থান, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ও শিক্ষকের সংখ্যায় পার্থক্য থাকতে পারে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সব কলেজে একই সিলেবাস ও কারিকুলাম অনুসরণ করে পাঠদান করা হয়। কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা একই পরীক্ষায় অংশ নেন। ফলে সরকারি ও বেসরকারি কলেজের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক পার্থক্য থাকলেও ডিগ্রির সনদ ও মানের ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধা নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ও প্রকাশিত তালিকা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। ভর্তি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিতেও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বিএড কোর্সের জন্য নির্ধারিত ভর্তি নীতিমালা রয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় থাকা কলেজগুলো সেই নীতিমালা মেনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে। শিক্ষার্থীদেরও নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, তালিকা প্রকাশের ফলে ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং তারা সঠিক তথ্য পাবেন।
সর্বসাধারণের জন্য তালিকাটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও প্রকাশিত তালিকা অনুসরণ করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে এবং ভর্তি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে।